Contacts

Room: 357, 2nd floor, Block B
House no: 17, Road No: 08,
Dhanmondi, Dhaka 1209

pnrfr2019@gmail.com

01306910016

আমাদের মিশন

প্রফেসর নজরুল রিউমাটোলজি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (PNRFR) ট্রাস্ট বাংলাদেশের রিউমাটিক রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পেশেন্টকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পেশেন্ট ক্ষমতায়ন, গবেষণা এবং কমিউনিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা দেশের রিউমাটোলজি চিকিৎসা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করি, যাতে প্রতিটি পেশেন্ট সম্মান ও মর্যাদার সাথে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারে।

আমাদের ভিশন

সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ
  • বাংলাদেশে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পেশেন্টকেন্দ্রিক রিউমাটোলজি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। 
  • পেশেন্টদেরকে নিজেদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণে সক্ষম করে তোলা।
  • রিউমাটোলজি ও মেডিকেল বিজ্ঞানের গবেষণার মাধ্যমে পেশেন্টদের জন্য মানসম্মত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করা।
  • রিউমাটোলজি রোগে আক্রান্ত পেশেন্টদের সম্মান, মর্যাদা ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনের উপযোগী সমাজ গড়ে তোলা।

আমাদের অর্জন ও প্রভাব

দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন

আমাদের কার্যক্রমের প্রভাব গবেষণা, পেশেন্ট ক্ষমতায়ন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে বিস্তৃত।

আমাদের গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে একশোরও বেশি গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে, যা রিউমাটিক রোগ সম্পর্কে উন্নত ধারণা ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নে সহায়তা করেছে। এসব গবেষণার ফলে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আমাদের পেশেন্ট ক্ষমতায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে পেশেন্টরা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে, প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং একে অপরের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। শিক্ষামূলক সেমিনারগুলোর মাধ্যমে পেশেন্টদের সচেতনতা বেড়েছে, ফলে তাদের আত্ম-ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে ও স্বাস্থ্যগত ফলাফলও উন্নত হয়েছে।

আমাদের কমিউনিটি কার্যক্রম রিউমাটিক রোগ নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার কমাতে সহায়তা করেছে এবং দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। স্বাস্থ্য ক্যাম্প ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে এবং অনেক মানুষ প্রথমবারের মতো চিকিৎসা সেবার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং প্রচলিত যোগাযোগ পদ্ধতির মাধ্যমে, আমাদের সচেতনতামূলক প্রচেষ্টা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছেছে, যা সারা বাংলাদেশে রিউমাটিক রোগ সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণাকে শক্তিশালী করেছে।